গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আড়ং: বিশ্বের বৃহত্তম কারুশিল্প বিপণন কেন্দ্র
এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদ উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে একটি বিশেষ মিউজিক ভিডিও প্রদর্শিত হয়, যেখানে আরমিন মুসা ও ঘাসফড়িং কয়ার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আনন্দলোকে’ গান পরিবেশন করেন। ভিডিওটিতে ধানমন্ডির ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের এক জীবন্ত প্রদর্শনভূমি হিসেবে তুলে ধরা হয়।
ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ বলেন,
এই স্বীকৃতি শুধু একটি রেকর্ড নয়; এটি কারুশিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষের দক্ষতা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি। তিনি বলেন, কারুশিল্পকে সম্মান জানানো মানে দেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা এবং এর বিস্তার অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের সুযোগ তৈরি করে।
ধানমন্ডির ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটে বাংলাদেশের কারুশিল্প ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে বিভিন্ন স্থাপনা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় ১০০ কুমোর পরিবারের অংশগ্রহণে তৈরি মৃৎশিল্প স্থাপনা ‘সাঁওতাল গাঁও’ এবং ২৫০ কারিগরের ছয় মাসের পরিশ্রমে তৈরি ৪৪ ফুট দীর্ঘ নকশি কাঁথা ‘দ্য গ্রেট এরিনা’, যা চার তলা জুড়ে প্রদর্শিত হয়েছে।
এই স্বীকৃতিকে কেন্দ্র করে দেশের ১০টি আড়ং আউটলেটে পপ-আপ গ্যালারির আয়োজন করা হবে, যেখানে দর্শনার্থীরা ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটের বৈশিষ্ট্য এবং বিশ্বরেকর্ড অর্জনের গল্প সম্পর্কে জানতে পারবেন।
আড়ং জানায়, তাদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ৮৭ হাজারেরও বেশি কারুশিল্পী। সামাজিক উদ্যোগভিত্তিক এই মডেলের মাধ্যমে কারুশিল্পীদের জীবিকা টিকিয়ে রাখা এবং ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প সংরক্ষণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
.jpeg)
No comments